বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান বলেন, এটি মূলত একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক জোট’। প্রথমে তিন দেশকে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা ও সাংগঠনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে একই ধরনের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী অন্য দেশগুলোর জন্য জোটটি উন্মুক্ত করা হতে পারে। তবে বর্তমানে জোট সম্প্রসারণ নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না।
মুখপাত্র জানান, জোটের কাঠামো, কার্যপ্রণালি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে তিন দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চলছে। এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত করতে এখনো উল্লেখযোগ্য কাজ বাকি রয়েছে।
গত ৭ আগস্ট তিন দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল লক্ষ্য যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানো। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে জোটটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে জোটের একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম তিন বছর পাকিস্তানের একজন মহাসচিব সচিবালয়টির নেতৃত্ব দেবেন।