ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, হামলাটি ছিল ‘জটিল’ এবং সর্বোচ্চ প্রাণহানি ঘটানোর উদ্দেশ্যেই এটি চালানো হয়েছে। এতে আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি পাঁচতলা ভবনে আটকে পড়া কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গুদাম, গ্যারেজ ও একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ওদেসা অঞ্চলের একটি বেসামরিক বাজার ও খারকিভ অঞ্চলের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনেও হামলার কথা জানিয়েছেন জেলেনস্কি। কিয়েভ-সুমি রুটের একটি যাত্রীবাহী ট্রেনও ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ট্রেনের ৯০ যাত্রী ও কর্মী আগেই নিরাপদে সরে যেতে সক্ষম হন।
হামলার মাত্র একদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার কিয়েভে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর আগে তারা মস্কোতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন। উইটকফ দাবি করেন, আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছে এবং ভবিষ্যতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সময় নির্ধারণে অগ্রগতি হয়েছে।
তবে কূটনৈতিক তৎপরতার সময় দুই পক্ষের রাজধানীতে হামলা বন্ধ রাখার ৭২ ঘণ্টার বিরতি মঙ্গলবার শেষ হওয়ার পরই কিয়েভে আবার বড় ধরনের হামলা চালানো হলো।
হামলার মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে, ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী মিত্র দেশ পোল্যান্ড নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষায় সামরিক বিমান আকাশে তোলে।
এদিকে জেলেনস্কি বলেন, রুশ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ইউক্রেন ভালো ফল করলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো এখনও কঠিন। এ কারণে মিত্রদের কাছে আরও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছে কিয়েভ।
অন্যদিকে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার সারাতভ শহরে বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় তিন শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরটির গভর্নর।
-এফএস