বুধবার ফার্সনিউজ এজেন্সির এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মুখপাত্র স্পষ্টভাবে জানান যে, আমিরাত যেন আমেরিকান ও জায়নবাদীদের ফাঁদে না পড়ে। তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা না করে এবং ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে অন্যায় প্রচার, মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো থেকে বিরত থাকেন। আমিরাত থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইরান শক্ত অবস্থান নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
তার বক্তব্যে আরও বলা হয়—ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে আমিরাতের বিরুদ্ধে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা চালায়নি। যদি এমন কিছু ঘটত, তা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করা হতো। তাই আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
তিনি আমিরাতের শাসক ও দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে বলেন, দেশটি যেন বিদেশি শক্তির ঘাঁটিতে পরিণত না হয় এবং এমন কোনো সহযোগিতায় না জড়ায় যা মুসলিম বিশ্ব বা ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে যায়। পাশাপাশি, মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়।
বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করে বলা হয়, বর্তমানে আমিরাত এমন শক্তিগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে, যাদেরকে অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী করা হয়।
মুখপাত্র আরও বলেন, অপপ্রচার বা নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরে বাস্তব পরিস্থিতি আড়াল করা সম্ভব নয়। মূলত আমিরাতে বসবাসরত মুসলিম জনগণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এতদিন ইরান সংযম দেখিয়েছে।
শেষে তিনি পুনরায় সতর্ক করে বলেন, যদি আমিরাতের মাটি ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।