এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তিনি নির্বাচনে হারেননি; জনরায় ‘লুট করা’ হয়েছে। মমতা বলেন, আমি হারিনি। তাই রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর এই অনড় অবস্থানের প্রেক্ষিতে তাঁকে বরখাস্তের দাবি তুললেন বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে না দাঁড়ালে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হলেও নির্বাচন কমিশনের সূত্রগুলো বলছে, এর প্রয়োজন না-ও হতে পারে। সূত্রগুলোর মতে, বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বিজয়ী দল যদি সরকার গঠনের দাবি জানায় এবং রাজ্যপাল তাদের আমন্ত্রণ জানান, তাহলে এই সাংবিধানিক সংকটের সমাধান সম্ভব।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৭ মে। অর্থাৎ নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হাতে সময় আছে দুই দিন। এদিকে আসামের এবারের বিধানসভা নির্বাচনে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। রাজ্যের বিধানসভার ১২৬টি আসনের মধ্যে ১০২টিতেই জয় পায় তারা। এর মধ্য দিয়ে টানা তিনবার রাজ্যের শাসনভার নিজেদের দখলে রাখল বিজেপি।