বীরভূমের নানুরে ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী। মৃতের নাম আবির শেখ। পরিবারের দাবি, বিজেপি কর্মীরা তাকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের চম্পাহাটিতে পঞ্চায়েত অফিস ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা দলীয় পতাকা টাঙিয়ে বাঁশ দিয়ে অফিসের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
শিলিগুড়িতে মেয়র গৌতম দেবের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের দাবি, বিজেপির কর্মীরা কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং দলীয় পতাকা খুলে নেয়। তবে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, দলের কোনও নির্দেশে এ ধরনের কাজ হয়নি।
বারুইপুরেও তৃণমূলের ফুলতলা দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। সীতাকুণ্ড মোড়ে অবস্থিত ওই কার্যালয়ে হামলার পর বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
নদিয়ার কৃষ্ণনগরের বাদকুল্লা মোড়ে তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে দখল, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি সমর্থকরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। বিজেপি অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
হাওড়ার উদয়নপুরে বিজেপি সমর্থক যাদব বরের (৪৮) মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের দাবি, তৃণমূল কর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির পেটকুলচাঁদ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, বুধবার রাতে বাইকে ফেরার সময় তাদের পথ আটকে লাঠি ও রড দিয়ে মারধর করা হয়। হামলার জন্য তৃণমূল কর্মীদের দায়ী করেছে বিজেপি।
এদিকে বাঁকুড়ায় একাধিক জায়গায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পাঁচবাগা মোড়, গোবিন্দনগর বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলার পাশাপাশি দলীয় পতাকা খুলে বিজেপির পতাকা টাঙানোর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি, শহরের একাধিক কলেজে ছাত্র সংসদের ঘর দখল করেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) বলেও অভিযোগ।