পোস্টারগুলোতে মনিরুজ্জামানের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাবেক ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর সঙ্গে তার তোলা কয়েকটি ছবিও সংযুক্ত করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি নিয়মিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাতায়াত করতেন।
এছাড়া ডেমরা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনুসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও পোস্টারে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন নির্বাচনি কার্যক্রম ও আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে পেশাজীবী সংগঠনের পদও বাগিয়ে নিয়েছেন।
পোস্টারে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রচারণা ক্যাম্প পরিচালনা করেন।
এছাড়া আমিনবাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেন তার শ্যালক আনিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পোস্টারে উল্লেখ করা হয়, এ-সংক্রান্ত কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, পোস্টারে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।