মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন ও শহিদুল ইসলামকে আটক করে সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
আটক আলমগীর হোসেন একই এলাকার আজিজুল সোনারের ছেলে এবং শহিদুল ইসলাম মৃত আকবর আলীর ছেলে। মামলার অপর অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান, মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে পিয়ন হিসেবে কর্মরত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে থাকায় অসহায় অবস্থার সুযোগ নেয় অভিযুক্তরা। মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারীকে ভয়ভীতি ও অসহায়ত্বের সুযোগে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
সম্প্রতি ভুক্তভোগীর স্বামী জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পর স্ত্রীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে বিষয়টি জানতে চান। তখন তার স্ত্রীর কাছ থেকে ধর্ষণের অভিযোগ শোনার পর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। এতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসে এবং দুইজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, "দুইজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং তিনি অন্তঃসত্ত্বা কিনা—তা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।