চলতি বছর জুলাই থেকে আগামী বছর জুলাই পর্যন্ত বাফুফে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন খেলার সম্ভাব্য সূচি ও ভেন্যু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছে। সেখানে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ভেন্যু হিসেবে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়াম ভেন্যু হিসেবে দেখানো হয়েছে। সাফ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে নভেম্বরে পরিবর্তিত হলেও বাফুফের বর্ষপঞ্জিতে সেপ্টেম্বরেই রয়েছে।
সাফ, এএফসি’র বয়স ভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টে দেশের বাইরে গিয়ে যেমন খেলবে বাংলাদেশ আবার কিছু আসরে স্বাগতিকও হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ফেডারেশনের বর্ষপঞ্জিতে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের বাছাই ২০২৭ সালের মার্চ থেকে শুরু হবে। সেটাও আজকের আলোচনায় উঠে এসেছিল।
এএফসি, সাফ, ফিফা টুর্নামেন্টের ব্যস্ততায় বাফুফে নিজস্ব আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট সেভাবে আয়োজন করতে পারে না। আগামী বছর বর্ষপঞ্জিতে শহীদ জিয়ার নামে আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও ভেন্যু এবং সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত করেনি ফেডারেশন।
আগামী বছর বাফুফে ঘরোয়া প্রতিযোগিতা হিসেবে ২৩ টি ইভেন্ট রেখেছে। স্কুল ফুটবল, বিচ সকার, বিভাগীয় মহিলা ক্লাব ফুটবল লিগের ভেন্যু ও সময় চূড়ান্ত করতে পারেনি। চ্যালেঞ্জ কাপ, ফেডারেশন কাপ, স্বাধীনতা কাপের পাশাপাশি সুপার কাপও রয়েছে সূচিতে। ৮-২২ জানুয়ারি বাফুফে এই আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে চায়। জেলা ফুটবল, পাইওনিয়ারসহ আরো তৃণমূলের কিছু ইভেন্টও রেখেছে বর্ষপঞ্জিতে।
ফুটবলের অন্যতম সমস্যা মাঠ। সিলেট, চট্টগ্রাম ও কমলাপুর স্টেডিয়াম বাফুফের অধীনে বুঝিয়ে দেয়ার কথা গত কয়েক মাস ধরেই চলছিল। এখনো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বাফুফের মধ্যে কোনো সমঝোতা স্বাক্ষর চুক্তি হয়নি। আজকের আলোচনায় এই বিষয়টিও উঠে এসেছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফুটবল ফেডারেশশের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্ত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার পরামর্শ প্রদান করেছেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও পরিকল্পনা গ্রহণে আরো সুবিধা হয়। ফুটবলের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়তা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। তৃণমূলের ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলো আরো বেশি মিডিয়ায় আসার ব্যাপারে বাফুফের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ অভিভাবক। ফুটবলের মতো অন্য ফেডারেশনগুলোকে নিয়েও সামনে বৈঠক করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।