ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের তুলনায় সোমবার মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ৩০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এর ফলে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হিসেবে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সম্পদের পরিমাণ ৩৭১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে জুনে স্পেসএক্সের শেয়ার লেনদেন শুরুর পর প্রথমবারের মতো ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হন মাস্ক। তবে কয়েক দিনের মধ্যে স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারের দাম কমে গেলে সেই অবস্থান হারান তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য বাড়তে থাকায় আবারও ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছান মাস্ক। গত সপ্তাহে টেসলার তৃতীয় প্রান্তিকের গাড়ি সরবরাহ বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার এক দিনেই তার সম্পদ বেড়ে যায় ৬১ বিলিয়ন ডলার।
সোমবারও টেসলার শেয়ারের দাম এক শতাংশের বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম বেড়েছে পাঁচ শতাংশেরও বেশি। ইস্টার্ন ডেলাইট টাইম অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্পেসএক্সের প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ১৬৭ ডলার। এর পরই মাস্কের সম্পদ আবার এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।
স্পেসএক্সের শেয়ারের এই উত্থানের পেছনে মর্গান স্ট্যানলির বিশ্লেষকদের মূল্যায়নও ভূমিকা রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষকদের মতে, স্পেসএক্সের শেয়ারের মূল্য তুলনামূলক কম নির্ধারিত হয়েছে।
এদিকে গত সপ্তাহে স্পেসএক্সের স্টারশিপ প্রথমবারের মতো সফলভাবে কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করা হয়। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে মাস্কের বিভিন্ন উদ্যোগও আলোচনায় রয়েছে।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ এআই খাতের অন্য নেতাদের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন মাস্ক। সেখানে এআই খাতের দায়িত্বশীল উন্নয়ন নিয়ে একটি নতুন অ্যাকর্ড বা চুক্তি উন্মোচন করা হয়। তবে ট্রাম্প এটিকে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়, বরং নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
শেয়ারবাজারে স্পেসএক্স ও টেসলার মূল্য বৃদ্ধির ফলে মাস্কের সম্পদ ফের এক ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করলেও বাজারদরের পরিবর্তনের সঙ্গে তার সম্পদের হিসাবও দ্রুত ওঠানামা করতে পারে।
সূত্র: ফোর্বস