বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের পশ্চিম ব্লকের কেবিনেট কক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব নাসিমুল গণি ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা সূত্রে জানা যায়, টিসিবির কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে তিনটি লটে (প্রতিটি ৩ হাজার মেট্রিক টন করে) ৯ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে মোট চারটি দরপত্র জমা পড়ে।
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশ অনুযায়ী তিনটি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়—
- শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লি. (ঢাকা): প্রতি কেজি ৭৯.৮৯ টাকা দরে ৩ হাজার মেট্রিক টন, ব্যয় ২৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
- মেসার্স সালমান খুরশীদ (রাজশাহী): প্রতি কেজি ৭৯.৮৯ টাকা দরে ৩ হাজার মেট্রিক টন, ব্যয় ২৩ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
- মেসার্স সালমান খুরশীদ (রাজশাহী): প্রতি কেজি ৮১.৯৯ টাকা দরে ৩ হাজার মেট্রিক টন, ব্যয় ২৪ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
সব মিলিয়ে ৯ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৭২ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার টাকা।
২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে মোট ২ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৬ মেট্রিক টন ডাল সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।