সোমবার (৮ জুন) সকাল ১১টায় পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:- এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনা বাতিল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এবং বিসিপিএস ভর্তি পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে আনা, নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী ইন্টার্নদের ভাতা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা ও ট্রেইনিদের নবম গ্রেডে নির্ধারণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৪ বছর করা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য শ্রম আইন ২০০৬ মেনে সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো।
আন্দোলনকারীরা বলেন, আমাদের এই দাবিগুলো দীর্ঘদিনের বঞ্চিত চিকিৎসকদের অধিকারের দাবি। বিসিপিএসের বৈষম্যমূলক অধ্যাদেশ বাতিল এবং ইন্টার্ন ও ট্রেইনিদের ন্যায্য ভাতা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমাদের এই নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ও কর্মবিরতি চলবে।
সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এই আকস্মিক কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কিছুটা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৫০ শয্যা বিশিস্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে আন্তঃবিভাগে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। হয়তো সেবা পেতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে জরুরি বিভাগ, আন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগ সহ সব জায়গায় সেবা চলমান আছে।