অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির একটি আসল ছবি ডিজিটালভাবে সম্পাদনা করে সেখানে আব্দুর রহমানের মুখ সংযোজন করা হয়েছে। দুটি ছবির তুলনায় সম্পাদিত ছবিতে মুখমণ্ডল, জাতীয় সংসদের লোগো ও লেখায় একাধিক অসঙ্গতি দেখা যায়, যা এআই-নির্ভর সম্পাদনার ইঙ্গিত দেয়।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান প্রথমে দাবি করেন, ছবিটি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ স্পিকার থাকাকালে তোলা। পরে তিনি বক্তব্য পরিবর্তন করে স্বীকার করেন, ছবিটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তার দাবি, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানাতেই এটি প্রকাশ করেছিলেন।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহাদাত হোসেন বলেন, বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই ব্যবহার করে ভুয়া ছবি ও তথ্য প্রচার ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।