শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর এ তথ্য জানিয়েছেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম উইয়ন নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে।
সার্জিও গোর বলেন, জ্যাভেলিন চুক্তি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও গভীর, সক্ষম ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের প্রতিফলন। এই চুক্তি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের গভীরতা তুলে ধরার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের যৌথভাবে কাজ করার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তিকে শক্তিশালী করে এমন ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আনুমানিক ৪ কোটি ৫৭ লাখ ডলার (৪৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার) মূল্যের জ্যাভেলিন ব্যবস্থা বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়ার প্রায় নয় মাস পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হলো।
কী এই জ্যাভেলিন?
জ্যাভেলিন একটি অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এটি সাঁজোয়া যান, সুরক্ষিত অবস্থানসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য ব্যবহৃত হয়। মার্কিন সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশ এই অস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে।
জ্যাভেলিন তৈরি করা হয় আরটিএক্স ও লকহিড মার্টিনের যৌথ উদ্যোগ ‘জ্যাভেলিন জয়েন্ট ভেঞ্চার’-এর মাধ্যমে।
আরও গভীর হচ্ছে ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পর্ক
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের ধারাবাহিকতায় নতুন এই চুক্তি হলো। গত বছর দুই দেশ ১০ বছর মেয়াদি একটি প্রতিরক্ষা কাঠামোতে সই করেছিল।
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, জ্যাভেলিন চুক্তির এই স্বাক্ষর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি চলমান মার্কিন সমর্থনকে আরও দৃঢ় করবে এবং দুই দেশের প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করবে।
একই সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক যৌথ উৎপাদন এবং উভয় দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানিয়েছে দূতাবাস।