আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন,যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার,যশোর সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অনিতা মন্ডল, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন,সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান ও পরিবেশ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন সরকারি,বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। বক্তারা শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তারা বলেন, নিয়ন্ত্রণহীন শব্দ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে। অতিরিক্ত শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে যানবাহনের হর্ন, নির্মাণ কাজ ও শিল্পকারখানার শব্দ দূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকা, নির্ধারিত সময়ের বাইরে উচ্চ শব্দে মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার না করা এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। শেষে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।