তিন দিনব্যাপী এই যৌথ মহড়া শেষ হয়েছে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট)। রোববার (২৩ আগস্ট) শুরু হয়ে দেশের আট বিভাগের ১৬টি স্থানে ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, তেজস্ক্রিয়তা ও ভূমিধসসহ বিভিন্ন দুর্যোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ মহড়া পরিচালনা করা হয়।
রোববার সকালে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশনস ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান মহড়ার উদ্বোধন করেন।
এ সময় ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অপারেশনস ও মেইনটেন্যান্স) মো. মামুনুর রশিদ, ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন, এআরএবি’র সাধারণ সম্পাদক অনূপ কুমার ভৌমিকসহ ফায়ার সার্ভিস ও এআরএবি’র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালের নির্দেশনায় বড় ধরনের দুর্যোগে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার সময় পারস্পরিক যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব যোগাযোগব্যবস্থা কোনো দুর্যোগে অচল হয়ে পড়লে এআরএবি’র সদস্যরা কীভাবে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে থেকে বিকল্প বেতার যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপন ও পুনঃস্থাপন করে উদ্ধার কার্যক্রম সচল রাখবেন, মূলত সেটিই মহড়ার মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
এর মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও এআরএবি’র মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় আরও জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগকালীন দুই প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার প্রক্রিয়াও সহজ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।