শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দইহারা গ্রামে অভিযান চালিয়ে মূর্তিগুলো উদ্ধার করে বিজিবি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- দইহারা গ্রামের আরিফ হোসেনের ছেলে আলিপ হোসেন (২২), একই গ্রামের বুরুজ মিয়ার স্ত্রী সরজিনা আক্তার (৩০) এবং পণ্ডিতপুর জিড়াই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এনামুল হক (৫০)।
বিজিবি ও পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে শাখাহার ইউনিয়নের দইহারা-জিড়াই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া দুটি মূর্তি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও ৮ থেকে ১০ জন পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া মূর্তির মধ্যে একটি বিষ্ণুমূর্তি। এর ওজন ১৬ কেজি ৮৭০ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ১৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
অপরটি কষ্টিপাথর সদৃশ একটি বস্তু, যার ওজন প্রায় ১১৯ কেজি। এর আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
বিজিবির সদর দপ্তর নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দুটি মূর্তির মোট আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার হওয়া মূর্তিগুলো নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে যাচাই করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল মেশিনে মূর্তিগুলোর ওজন নির্ধারণ করা হয়।
এ ঘটনায় ২০ বিজিবির জেসিও-১০৯২৭ মো. সেকেন্দার আলী বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনসহ পলাতক ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বিজিবি গ্রেপ্তার তিনজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদেরসহ পলাতক ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।