প্রতি বছর আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশনের উদ্যোগে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়। ২০০৯ সালে ২৫ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য—‘স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়ন’।
শুধু ওষুধ সরবরাহ নয়
ফার্মাসিস্টদের কাজ শুধু ওষুধ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কোন ওষুধ কীভাবে, কত মাত্রায় এবং কতদিন ব্যবহার করতে হবে—এসব বিষয়ে রোগীকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন তারা। পাশাপাশি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং একাধিক ওষুধ একসঙ্গে ব্যবহারের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কেও সচেতন করেন।
বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা, ওষুধের সঠিক ব্যবহার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা-পরিকল্পনা অনুসরণে ফার্মাসিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে ওষুধসংক্রান্ত তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবেও কাজ করেন তারা।
বাড়ছে ফার্মাসিস্টদের গুরুত্ব
বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্টের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়ছে।
ফার্মাসিস্টদের শিক্ষা, দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে রোগীরা নিরাপদ ও কার্যকর ওষুধসেবা পান।
সচেতনতা তৈরিরও দিন
বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস শুধু একটি পেশাকে সম্মান জানানোর দিন নয়; নিরাপদ ও কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
স্বাস্থ্যসেবায় ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি মানুষের কাছে নিরাপদ ও মানসম্মত ওষুধসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়েই আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস।