আজ বুধবার (২০মে) সকালে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তে প্রতিষ্ঠান প্রধান অসীম আচার্য্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান। এসময় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯২৫ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মোস্তাফিজুর রহমান কর্তৃক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই শতবর্ষী প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ইতিহাস ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজ ভোলার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বাপ্তা ইউনিয়নে অবস্থিত এই বিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ বিজ্ঞানাগার ও ইন্টারনেট সুবিদা থাকায় গ্রামীণ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখছে।
বিদ্যালয়টি ২০০৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক স্কুল নেটওয়ার্কের সাথেও যুক্ত রয়েছে। বিদ্যালয়টি British Council, UNICEF, Plan International সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এনজিওর সাথে সম্পৃক্ত থেকে সহপাঠক্রমিক শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। বিদ্যালয়টি ইতপূর্বে জেলা প্রশাসন কর্তৃক "শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান" নির্বাচিত হয়েছে এবং ২০১২ ও ২০১৬ সালে " International School Award অর্জন করেছে।
উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান জানান, "এটি আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আমরা সব সময় গ্রামীণ জনপদের এই শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছি"।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক জনাব শাহনেওয়াজ চন্দন বলেন, টবগী মাধ্যমিক বিদ্যালয় আমারই ধারাবাহিকতা সঠিকভাবে বজায় রেখে চলছে এবং এলাকার সম্মান বয়ে এনেছে। আমি বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিবর্গকে ধন্যবাদ জানাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব অসীম আচার্য্য বলেন, "শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড"। আমাদের লক্ষ্য কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের দক্ষ, নৈতিক, যুগোপযোগী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। এই স্বীকৃতি আমাদের আগামীতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।