রোববার (৩১ মে) দুপুরে নীলফামারী জেলা পরিষদ চত্বরে জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “বগুড়ার মানুষ, দিনাজপুরের মানুষ যেটা বোঝে সেটা আমরা বৃহত্তর রংপুরের মানুষ বুঝি না। অবুঝ আমরা এখনো আছি। দেখি ভবিষ্যতে পরিবর্তন হয় কি না। সে আশায় থাকবো আমরা।”
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের সমর্থিত জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যদি আমাদের দলের লোকদের আনতে পারি, তাহলে আমরা যে কোনো মন্ত্রীর কাছ থেকে কাজ আদায় করে নিতে পারবো। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও বলতে পারবো, এই লোকটির জন্য এটি দিতে হবে।” এ সময় নীলফামারীর জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের বরাদ্দ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাইসাইকেল, হুইলচেয়ার, সিলিং ফ্যান, টিউবওয়েল এবং বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী তুহিনের সহধর্মিণী তামান্না ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে জেলা পরিষদের আধুনিক ডাকবাংলো নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন এবং জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।
এ সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক রেয়াজুল ইসলাম কালু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলম, জেলা জজ কোর্টের জিপি আবু মো. সোয়েম, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রাহেদুল ইসলাম দোলন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আখতারুজ্জামান জুয়েল, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাহবুব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল মাসুদ চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।