বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশে উৎকর্ষ মূল্যায়নের জন্য সুপরিচিত টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল কৌশল, কর্মপরিবেশ, মেধাবী কর্মী নিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি, কর্মীদের কল্যাণসহ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে থাকে।
চলতি বছরের মূল্যায়নে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিএটি বাংলাদেশ প্রায় সব বিভাগেই সর্বোচ্চ স্কোরপ্রাপ্তদের অন্যতম ছিল। বিশেষ করে নেতৃত্ব বিকাশ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তর, কর্মীদের কল্যাণ এবং কর্মী সম্পৃক্ততা জোরদারে প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক উদ্যোগ এ স্বীকৃতি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিএটি বাংলাদেশের হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ বলেন, টপ এমপ্লয়ার সনদ আমাদের নীতি ও কার্যপ্রণালীগুলোকে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের বিপরীতে মূল্যায়নের সুযোগ করে দেয়। একই সঙ্গে এটি আমাদের আরও এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে, যাতে কর্মীদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে আমরা কীভাবে তাদের আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করতে পারি, তা নিয়মিত পর্যালোচনা, পরিমার্জন এবং আরও শক্তিশালী করতে পারি। টানা সপ্তমবার এ স্বীকৃতি অর্জন এমন একটি কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন, যেখানে কর্মীরা বিকশিত হতে, সফল হতে এবং নিজেদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারেন।”
টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউটের মূল্যায়নে বিএটি বাংলাদেশের শক্তিশালী নিয়োগদাতা (এমপ্লয়ার) ব্র্যান্ড, মেধাবী জনবল আকর্ষণ ও ধরে রাখার সক্ষমতা এবং নতুন কর্মীদের জন্য সুসংগঠিত অনবোর্ডিং প্রক্রিয়ার বিশেষ প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি, মেধাবী জনবল আকর্ষণ এবং কর্মী উন্নয়ন-এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন সূচকেও প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য স্কোর অর্জন করেছে। এ স্বীকৃতির মাধ্যমে দেশের অন্যতম শীর্ষ নিয়োগদাতা হিসেবে বিএটি বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।