সোমবার (১৬ মার্চ) সংগঠনটির পক্ষে আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন ও শাহীনুজ্জামান এই নোটিশ পাঠান। এতে সাত দিনের মধ্যে ডিআইজির দেওয়া নির্দেশনা প্রত্যাহারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে বলা হয়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক বিশেষ নির্দেশনায় ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান উল্লেখ করেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও স্থগিত ঘোষিত একটি সংগঠনের যেসব নেতাকর্মী জামিনে মুক্তির পর পুনর্গঠন ও সক্রিয় কার্যক্রম চালাতে সক্ষম, তাদের জামিনের পরপরই অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখাতে (শ্যোন-অ্যারেস্ট) হবে।
তবে নির্দেশনায় আরও বলা হয়, যেসব নেতাকর্মী এ ধরনের সক্রিয়তায় যুক্ত হওয়ার সক্ষমতা রাখেন না, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত এমন ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর আবু আহমেদ ফয়জুল কবির জানান, রেজিস্ট্রি ডাকযোগে ডিআইজির কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য রাখতে চাই না। যা করার, আইনগতভাবেই করব।’