বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুর ১২টায় শরণখোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি তাকে “ভুয়া চিকিৎসক” আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল, ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, গত ৪ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ১৫ মিনিটে কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে তার রায়েন্দা বাজারস্থ ফিজিশিয়ান পয়েন্ট চেম্বারে প্রবেশ করে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— রুহুল আমিন বাবু, মোঃ কামরুজ্জামান, সৈকত মন্ডল , রিফাত আল-মাহামুদ, মেহেদী হাসান , সাগর মন্ডল , হেলাল তালুকদার ও সোহাগ শেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তার চেম্বারের গ্লাসের দরজা বন্ধ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র তছনছ করেন এবং চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এসময় তারা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
মাহামুদুল হাসান বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছি। একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে এলাকা থেকে বিতাড়িত ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, পুরো ঘটনার ভিডিও ফুটেজ তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে এবং এ ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী আছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে তার চেম্বারে সংঘটিত চাঁদাবাজি, অবরুদ্ধ ও হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি তার ব্যক্তি, পরিবার ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তরা জানান, আমাদের বিরুদ্ধে কেনা হয়েছে তার সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মাহমুদুল হাসান একজন ভুয়া ডাক্তার। আমরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের দ্বারা মব সৃষ্টি করে আমাদের সাথে খারাপ আচারন করা হয়েছে।