অভিভাবক ও বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা, শিক্ষকদের বেতন উত্তোলন এবং বিদ্যালয়ের অর্থ যথাযথভাবে ব্যাংকে জমা না দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
অভিভাবক কমল বেপারী, শাহিন মাদবর ও সবুজ বেপারী বলেন, বিদ্যালয়ের স্বার্থে আমরা একত্রিত হয়েছি। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে আমরা উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তাঁর আগমনের খবর পেয়ে আমরা বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নিই।
এদিকে ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালাহউদ্দিন আইয়ূবী বলেন, সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকার বলেন, বিদ্যালয়ের একটি কাজের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। কাজ শেষে বিদ্যালয়ে ফেরার পথে স্থানীয় কিছু লোক আমার ওপর হামলা চালায়। কেন এই হামলা হয়েছে, তা আমি জানি না। ইউএনও মহোদয় আমাকে চিকিৎসা নেওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।