আজ রবিবার (১৪ জুন) রাতে রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সংগঠনটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি জাতীয় জাদুঘরের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন সময়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার ঘটনা ঘটছে। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভগবান শ্রীরামের ছবিতে অবমাননার ঘটনাকে তারা উদ্বেগজনক উল্লেখ করে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ বহু ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থানের দেশ। এখানে কোনো ধর্মের উপাস্য, বিশ্বাস বা প্রতীকের অবমাননা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনা শুধু একটি সম্প্রদায়ের অনুভূতিতেই আঘাত করে না, বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই প্রশাসনকে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সজীব সরকার ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিপংকর চন্দ্র শীল। এ ছাড়া সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশ থেকে বক্তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং সব ধর্মাবলম্বীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।