স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের সঙ্গে হওয়া শিলাবৃষ্টিতে ধানের পাশাপাশি শাকসবজির খেতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
শুক্রবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম। তিনি কাওরাইদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, “তিনটি গ্রামের প্রায় প্রতিটি কৃষকই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে সবাইকে সহায়তা প্রদান করা হবে।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা জানান, ঝড়ের পরপরই কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। প্রাথমিক হিসেবে তিনটি গ্রামের প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির বোরোধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার সম্ভাব্য উৎপাদন ছিল প্রায় ১ হাজার ৮০০ টন।
তিনি আরও জানান, প্রায় সাড়ে ৩০০টি ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৪০টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
এদিকে আকস্মিক এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও পরিবারগুলো দ্রুত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।