সরকারী অফিসের কর্মকর্তা জানায়, ভুল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখাটা দুঃখজনক বা বিব্রতিকর।
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের কালিখোলা এলাকায় এমন একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার যেখানে শত শত গ্রামবাসীর সুবিধা সহ যাতায়াতের মান উন্নত হবে।
এই স্থানে বিগত দিনে একটি সেতু ছিল ৩৬ মিটার দৈ্রঘ্য কিন্তুপ্রস্হ ছিল ১২ফুট,এখন তৈরী করা হচ্ছে ৪৪ মিটারে যার প্রস্থ ৩২ফুট।
স্থানীয় লোকজন পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে পাড়বাধা পুকুর, বসত বাড়িঘর গড়ে তুলছে। এরপর সরকারের নদী,খাল খনন প্রকল্প কাজ চলমান রয়েছে,এর ভিত্তিতে স্থানীয় কিছু বাসিন্দারা উচ্ছেদের আতঙ্কিত হয়ে কিছু সুবিধা বাঁদি লোকদের ব্যবহার করে অপ- প্রচার চালাচ্ছে।
এখানে ১৮ রাস্তার সাথে ৩৬ মিটার সেতু তৈরী করলে সড়ক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেশি থাকবে এর কারণে সরকার পক্ষ থেকে ৩২ফুট প্রস্থের ৪৪ মিটার সেতু নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে । এর ফলে স্থানীয় সহ দূরদূরান্তর মানুষদের যাতায়াতের সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
জানাযায়, এই স্থানে ভুবনেশ্বর নদী থেকে উৎপন্ন হওয়া 'গোপালপুর শাখা খাল' প্রবাহিত হতো। সেই সময়ে খালের ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) একটি ৩৬ মিটার দীর্ঘ এবং ১২ ফুট প্রস্থের ছোট সেতু নির্মাণ করেছিল। তবে সেতুর দৈর্ঘ্য কমানো হলে ফ্ল্যাস ফ্লাড হলে সড়ক বাধ ঝুঁকিপূর্ণ হবে তাই জনগনের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে সেতুর দৈর্ঘ্য কমানো হয়নি। এছাড়া বড় কোন বন্যা বা দুর্যোগের সময় চরম বিপদের সম্মুখে থেকে রক্ষা পাবে।
ফরিদপুর সড়ক বিভাগের তত্ত্বাবধানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অর্থায়নে ৪৪ মিটার দীর্ঘ এবং ১০.২৫ মিটার প্রস্থের এই সেতুটি নির্মাণের কারণে জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসবে।
বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'নবারন ট্রেডার্স লিমিটেড'-এর অধীনে সেতুর কাজটি সুন্দর ভাবে গড়ে উঠবে বলে আশারাখি।
ফরিদপুর সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) মো.জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন,
যেহেতু আগে এখানে একটি ঝুকিপূর্ণ সেতু ছিল, তাই আমরা সড়ক বাধের স্থায়িত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য ড্রেনেজ ওপেনিং না কমিয়ে সেতুটি নতুন একটি সেতু দিয়ে প্রতিস্থাপন করছি।