নিহত লিটনের বাড়ি রংপুর জেলায়। তিনি সোনারগাঁ পৌরসভার হামছাদী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় একটি গাড়ির শোরুমে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সাকিব গ্রুপের সঙ্গে লিটনের পূর্ব বিরোধ ছিল। এর জেরে শনিবার (৪ মার্চ) তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রতনপুর এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতের শ্বশুর আব্দুর রউফ অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ের জামাইয়ের সঙ্গে কিছু লোকের পূর্ব শত্রুতা ছিল। পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুহিবুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।