জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস এই তালিকায় স্থান পাননি। একইভাবে সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার নামও নেই তালিকায়। বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনায় থাকা জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপাও শেষ পর্যন্ত সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাননি।
এছাড়া মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবীও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সহধর্মিণী। মহিলা দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সেলিনা হাফিজ এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদের নামও তালিকায় স্থান পায়নি।
অন্যদিকে, সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দিয়ে আলোচনায় আসা ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের নাম নিয়েও গুঞ্জন ছিল। চায়নিজ কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে বিএনপির সঙ্গে চীন সফরে যাওয়া কণ্ঠশিল্পী বেবি নাজনীনের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তারাও মনোনয়ন পাননি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকার শেষে মনোনয়ন বোর্ড ৩৬ জনকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করে।
মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন—সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।