টাকাগুলো পাওয়ার পর তিনি তা নিজের কাছে রেখে দেওয়ার পরিবর্তে প্রকৃত মালিকের সন্ধান শুরু করেছেন। হারানো টাকার প্রকৃত মালিক যাতে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে টাকাগুলো শনাক্ত করে ফেরত নিতে পারেন, সে উদ্দেশ্যে জমসেদ মিয়া টাকার মালিককে খুঁজছেন।
জানা গেছে, ভানুগাছ চৌমুহনী সিএনজি স্ট্যান্ডে যাত্রী পরিবহনের সময় কোনো এক পর্যায়ে টাকাগুলো সিএনজির পেছনে পড়ে থাকতে পারে। তবে টাকার প্রকৃত মালিক কে বা কীভাবে টাকাগুলো হারিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সিএনজি চালক মো. জমসেদ মিয়া জানান, তিনি টাকাগুলোর প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে উপযুক্ত প্রমাণ যাচাইয়ের পর টাকাগুলো ফেরত দিতে চান। তাই কেউ টাকা হারিয়ে থাকলে যথাযথ প্রমাণসহ তার সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
হারানো টাকার প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করতে টাকার পরিমাণ, কোথায় ও কীভাবে হারিয়েছেন এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকের কাছে টাকা হস্তান্তর করা হবে।