পুলিশ জানায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ব্যারাকের ৩য় তলায় নিজ শয্যায় থাকা অবস্থায় তিনি হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ভোর সাড়ে পাঁচটায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ (হার্ট ফেইলিউর) হওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
পরে সকাল ১০টায় জেলা পুলিশ লাইনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে আলমগীরের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।