এর আগে, শুক্রবার (৫ জুন) থেকেই সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে অস্থায়ীভাবে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মোতায়েন শুরু হয়।
সীমান্তের চোরাপথ ও ভেতরের রাস্তাঘাট সম্পর্কে স্থানীয়দের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জ আনসার-ভিডিপির পরিচালকের নির্দেশনা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্টের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। প্রথম ধাপে স্থানীয় এলাকা সম্পর্কে নিখুঁত ধারণা রয়েছে এমন ৩৩ জন দক্ষ আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে সরাসরি বিজিবির সীমান্ত চৌকিতে (বিওপি) যুক্ত করা হয়েছে। তারা ভোলাহাট উপজেলার চানশিকারী, চামুংগা, ভোলাহাট, গিলাবাড়ি, চরধরমপুর, সুরানপুর, পোলাডাঙ্গা ও খড়গপুর এবং গোমস্তাপুর উপজেলার বাংগাবাড়ি বিওপিতে বিজিবির সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।
অন্যদিকে শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়নগুলোতে দ্রুত রেসপন্স নিশ্চিত করতে ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সেখানকার ইউনিয়ন আনসার দলনেতা ও কমান্ডাররা স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডারদের সঙ্গে দেখা করে জরুরি যোগাযোগের নম্বর বিনিময় করেছেন। ফলে সীমান্তে যেকোনো সন্দেহজনক নড়াচড়া চোখে পড়ামাত্র কিংবা বিজিবির যেকোনো প্রয়োজনে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে গিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবেন।
মূলত প্রতিবেশী দেশ থেকে পুশইনের আশঙ্কায় গত কয়েকদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির পাশাপাশি আনসার-ভিডিপির এই যৌথ অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।