শিক্ষার্থীরা জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা নগরীর জেলা পরিষদ ভবনের সামনে একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় খুবির শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার নিহত হন। তিনি আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনদিন পার হলেও গাড়ির চালক বা সংশ্লিষ্ট কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে ক্যাম্পাসে সমবেত হন। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় খুবি শিক্ষার্থী মৌমিতা রিকশায় করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার রিকশাটিকে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে সড়কে পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা সদর হাসপাতালে এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মৌমিতা নগরীর মুন্সীপাড়ার তরুণ হালদারের মেয়ে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং স্নাতক ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।