আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি।
তাজুল ইসলাম লিখেন, ‘জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশে এই মহিলার (শাওন) ধৃষ্টতা সকল সীমানা অতিক্রম করেছে। দুটো ঘটনার প্রেক্ষিতে এই মহিলা এই স্ট্যাটাসটি দিয়েছে তার একটি হলো নেত্রকোনায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়া। দ্বিতীয়টা হলো একজন জুলাই যোদ্ধাকে ছাত্রলীগ কর্তৃক তুলে নিয়ে নির্যাতন করা এবং সেটি ভিডিও করে ছড়িয়ে দেয়া। দুটোই মারাত্মক ফৌজদারী অপরাধ এবং আমলযোগ্য অপরাধ। এই মহিলার ফেসবুক জুড়ে শুধুই জুলাই বিপ্লবকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বলে প্রোপাগান্ডা। একে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাচ্ছি।’
এর আগে শাওন ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দুটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে নেত্রকোণা তার শ্বশুরবাড়ি হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেন। পোস্টটি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
শাওন সামাজিক যোগাযোগ পোস্টে লিখেন, ‘আজকে ২টা ঘটনার পর ভাবতেই আনন্দ লাগছে যে নেত্রকোণা আমার শশুরবাড়ি… [ঘটনা ২ টা কি আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না, ফেসবুকে-ই পেয়ে যাবেন। আর যারা বুঝে ফেলেছেন তাদের শুভেচ্ছা।’