রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামিদের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছিল, যা ছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) একটি অনন্য তৎপরতা। এরপর অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মামলার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান বিএনপি সরকারের এই অভাবনীয় তৎপরতা এবং দেশের ইতিহাসে এত অল্প সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়াকে অপরাধ দমনে এক ব্যাপক ও যুগান্তকারী সাফল্য হিসেবে দেখছেন আইনজ্ঞ ও সাধারণ নাগরিকেরা। এই রায় প্রমাণ করে যে, সদিচ্ছা থাকলে দেশের প্রচলিত আইনি কাঠামোর মধ্যেই অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে শাস্তি দেওয়া সম্ভব।
তবে এই যুগান্তকারী রায়ের পর ভুক্তভোগী পরিবার এবং সাধারণ মানুষের মনে একটি বড় প্রশ্ন ও দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, শুধু দ্রুত রায় হইলেই হবে না, অতীতে এমন অনেক চাঞ্চল্যকর মামলার রায় হলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তা বছরের পর বছর ঝুলে রয়েছে। তাই মানুষ এখন এই শাস্তির দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বাস্তবায়ন বা কার্যকর দেখতে চায়।
রামিসার পরিবারের মতো আর কোনো বাবা-মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়, আর কোনো বোন যেন তার ভাইকে না হারায় এবং কোনো বাচ্চাকে যাতে এমন নৃশংস মৃত্যুর মুখোমুখি হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এই রায়ের দ্রুত কার্যকরের মাধ্যমেই কেবল সমাজে অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা পৌঁছানো সম্ভব, যা ভবিষ্যতে এই ধরনের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি রুখে দিতে ঢাল হিসেবে কাজ করবে।