মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮ টায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট নিয়ে শাকিল আহমেদ জানান, খরবোনা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আলামিন ও মোস্তাকিমের সঙ্গে তার দীর্ঘ ১৭ বছরের শত্রুতা রয়েছে। গত শুক্রবার স্থানীয় মসজিদ কমিটি ও বাসিন্দাদের নিয়ে আয়োজিত একটি মাদকবিরোধী সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাদক ব্যবসা ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা উপস্থিত সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হয়।
হামলার চেষ্টা ও মিথ্যা অপবাদের অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার শাকিল আহমেদের ছোট ভাই তুষারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায় ওই চক্রটি। তবে স্থানীয়দের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে অভিযুক্তরা একটি সংবাদ সম্মেলন করে শাকিল আহমেদকে 'মাদক ব্যবসায়ী' হিসেবে মিথ্যা অপবাদ দেয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে শাকিল বলেন, "আমি যদি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতাম, তবে থানায় অবশ্যই আমার নামে মামলা থাকতো। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে এমন কোনো রেকর্ড নেই।" এছাড়া ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করার দাবিকেও তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।
লুটপাট ও হত্যা মামলার প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত পারভেজ জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিরাই ৫ আগস্ট খরবোনা লেক থেকে মালামাল লুটপাটের সাথে জড়িত এবং তারা একটি হত্যা মামলারও আসামি। তারা দীর্ঘকাল ধরে এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে।
শাকিল আহমেদ সাংবাদিক সমাজের কাছে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।