মোহনপুর থানার বিদিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাজহারুল ইসলাম চপল বিদিরপুর এলাকার মৃত মাহবুব আলমের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার একটি প্রতারণা মামলার (ধারা ৪২০/৪০৬) এজাহারভুক্ত আসামি চপল। বাদীর সাথে প্রতারণা করে ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার পর বিজ্ঞ আদালত আসামি চপলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি করেন। এরপর থেকেই সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহনপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, কথিত সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম চপলের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দীর্ঘ রেকর্ড রয়েছে। ২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (এফআইআর নং-৭, তারিখ: ১২ অক্টোবর ২০০৮)। এছাড়া গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ওপর হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আরও ৩টি মামলা রয়েছে। এর আগে রাজশাহীর বাগমারায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, "আসামি মাজহারুল ইসলাম চপলের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানার একটি সিআর মামলায় আদালতের ওয়ারেন্ট ছিল। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছিল। অবশেষে বিদিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও হামলার অন্যান্য মামলার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
প্রতারণা মামলার বাদি পদ্মা আবাসিক এলাকার আজমিরা বেগম বলেন, প্রতারণা মাধ্যমে আমার নিকট ৭ লক্ষ টাকা নেয় মাজহারুল ইসলাম চপল। পরে আমাকে টাকা না দিয়ে চেক দেয়। এরপর টাকা চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে ভয় দেখায়। বাধ্য হয়ে আদালতে প্রতারণা মামলা করি। আদালত তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন এবং মোহনপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন। দীর্ঘদিন পলাতক ছিলো সে।