তিনি জানান, তারেক রহমান-এর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।
এর আগে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান-এর সময় “নতুন কুঁড়ি” যেভাবে সাংস্কৃতিক প্রতিভা তুলে এনেছিল, ঠিক তেমনি এবার ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। ইউনিয়ন থেকে জেলা ধাপে ধাপে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে।
ক্রীড়াবিদদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও নেওয়া হয়েছে উদ্যোগ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড়দের মাসিক সম্মানি ভাতা চালু হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে “গোল্ড কাপ” ফুটবল, বছরজুড়ে আন্তঃস্কুল ও আন্তঃউপজেলা প্রতিযোগিতা চালুর মাধ্যমে মাঠমুখী করা হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে। এতে মোবাইল আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে থেকে সুস্থ জীবন গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেজাউল করিম বাদশা ও মোশাররফ হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বগুড়ার ১২টি উপজেলা ও একটি পৌরসভা নিয়ে মোট ১৩টি দল অংশ নিচ্ছে এই প্রতিযোগিতায়। প্রথম দিনেই অনুষ্ঠিত হয় তায়কোয়ান্ডো, দাবা, ফুটবল ও কাবাডি। আর রোববার (৩ মে) অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও ব্যাডমিন্টন।
তৃণমূল থেকে প্রতিভা তুলে এনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকা উড়ানোর প্রত্যয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এখন এক নতুন আশার নাম