ব্রিফিংয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, “সহজ কথা হলো, আমরা ইরানের কাছ থেকে একটা ইতিবাচক অঙ্গীকার চাইছিলাম যে তারা কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনো উপকরণ খুঁজবে না— যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সক্ষমতা দেবে।”
“প্রশ্ন হলো, আমরা কি ইরানের তরফ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার ব্যাপারে কোনো মৌলিক ইচ্ছাশক্তি দেখতে পাচ্ছি— শুধু এখন বা আগামী ২ বছরের জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে? আমরা এখনও তা দেখিনি, আশা করি ভবিষ্যতে কখনও দেখব।”
উল্লেখ্য,ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
সংলাপ ও কূটনৈতিক পন্থায় উত্তেজনা প্রশমনের জন্য গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১১ এপ্রিল সংলাপে বসেছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা, যা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে।
সূত্র : সিএনএন