বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ২৪ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৭ জন পুরুষ এবং ৮ জন শিশু রয়েছে, যা দুর্ঘটনার ভয়াবহতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ঘটনার পর নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উভয় কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনায় নিহত সকলের পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুনে ফেরিতে ওঠার সময় ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেন দিয়ে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়।
ঢাকা অভিমুখে যাওয়া বাসটিতে ৪০ থেকে ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।