সোমবার (৬ জুলাই) সকালের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত ) স্বপন কুমার সরকার।
এর আগে রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাতে সাভার এলাকা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শরিফুল ইসলাম সাবু গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিপুর মধ্যপাড়া গ্রামের ছামসুল হকের ছেলে।
গত ২৮ জুন মামলার প্রধান আসামি ও হরিপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য আবদুল জলিলকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা আপন দুই ভাই। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন তারা।
নিহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কফিল উদ্দিন একই গ্রামের ফজর উদ্দিনের ছেলে এবং রামচন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক। এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুল জলিল ও নিহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কফিল উদ্দিনের নিজস্ব ওয়ারিশ।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নিহত কফিল উদ্দিন হত্যা মামলার ৬ নং আসামীকে সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছেন র্যাব।
প্রসঙ্গত,গত ২৮ এপ্রিল আতাউর রহমান বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ধান কাটতে গেলে অভিযুক্তরা বাধা দেয়। কারণ জানতে চাইলে তাকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়। এ খবর পেয়ে কফিল উদ্দিন আতাউর রহমানকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে অভিযুক্তরা তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। স্বামীকে রক্ষা করতে গেলে কফিল উদ্দিনের স্ত্রী জুলেখা বেগমকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা কফিন উদ্দিনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জুলেখা বেগম বাদী হয়ে ১ মে গোবিন্দগঞ্জ থানায় প্রধান আসামি ওই ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল জলিলসহ ১৩ জন নামীয় এবং ৩-৪ জন অজ্ঞাত নামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামীরা আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে র্যাব-১৩, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেন এবং আসামিদের গ্রেপ্তার তৎপরতা অব্যাহত রাখেন ।