এরপর থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত এলাকায় মোট ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটাররা ঝুঁকি নিয়ে পেশাদারত্বের সঙ্গে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এছাড়া নিহতদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে দিন দিন যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে।
এ অবস্থায় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও সাধারণ জনগণকে সচেতন হতে হবে। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকতে হবে। সড়কের নির্দেশনা ও ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং অসতর্ক ও বেপরোয়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। তাহলেই ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।