বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে পার্বতীপুর শহরের শহীদ মিনার সড়কের শাহ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, বীর মুক্তিযোদ্ধা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী বাইপাস সড়কের মামা-ভাগিনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট-কে এক লাখ টাকা করে মোট ৩ লাখ টাকা এবং তাজ বেকারিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আদায় করা হয় জরিমানার সম্পূর্ণ অর্থ।
দিনাজপুর বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী সামারি ট্রায়াল ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফ্রিজে পচা মিষ্টি ও দই সংরক্ষণের পাশাপাশি উৎপাদন ও মেয়াদ উল্লেখবিহীন এবং লেবেলবিহীন বিভিন্ন খাদ্যপণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া খাদ্য প্রস্তুত ও সংরক্ষণের পরিবেশও ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। এসব অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে দিনাজপুর জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা গৌতম কুমার সাহা, পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ওসি মাহমুদ নবী, ডিবি পুলিশের সদস্য, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবু নাসের এবং পার্বতীপুর মডেল থানা ও রেলওয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযান শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ আলী জানান, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। তিনি খাদ্য ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রির আহ্বান জানান।