কর্মসূচির প্রথম দিন ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে পাংশার শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শিব মন্দির প্রাঙ্গণে সকাল ৯টায় শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় বিশ্বশান্তি কামনায় হোমযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শিব মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে পাংশা আদি মহাশ্মশান পর্যন্ত যায় ।
এরপর বিকেল ৩টায় ধর্মীয় আলোচনা সভা, কীর্তন ও ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যা ৭টায় সন্ধ্যা আরতি, কীর্তন এবং শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শিব মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। রাত ১২টা ১ মিনিটে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব উপলক্ষে বিশেষ পূজা ও অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হবে।
এদিকে ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার, জন্মাষ্টমীর দ্বিতীয় দিনে সকাল ১০টা ২ মিনিটের মধ্যে উপবাসী ভক্তদের মধ্যে পারণের প্রসাদ বিতরণ করা হবে।
জন্মাষ্টমীর প্রধান অনুষ্ঠান ও কর্মসূচিতে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শিব মন্দির, শ্রীশ্রী নিতাই গৌর সেবাশ্রম এবং শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ বিহারী মন্দির, পাংশা মহাশ্মশান চত্বরকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠান সফল করতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, পাংশা উপজেলা শাখার সদস্য সচিব বিধান বিশ্বাস, জন্মাষ্টমীর সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।