সভার শুরুতে গত মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে অস্ত্র উদ্ধার, জলাবদ্ধতা নিরসন, মাদক নির্মূল এবং গুধিবাড়ী গুল ফ্যাক্টরি বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেসব বিষয়ে কতটুকু কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমান অগ্রগতি কী—তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রিফাতুল হক ও পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মইনুল ইসলাম।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রিফাতুল হক বলেন, মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে রাজবাড়ীতে সরকারি উদ্যোগে একটি রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার (পুনর্বাসন কেন্দ্র) স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার ফেজ-৩ চালু হতে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী দুই বছরের মধ্যে জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করা হবে। এছাড়া পাংশা বাজারের যানজট নিরসনে দ্রুত সময়ের মধ্যে অটোস্ট্যান্ড ও ফুটপাত সরিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এরপর পাংশার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহমেদ বলেন, "আমরা টেকসই উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আগামী সপ্তাহ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রম সফল করতে সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।"
সভায় পাংশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব চাঁদ আলী খান, বিএনপি নেতা রিংকু খান,ও সোহরাব মাস্টার সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পাংশা উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বাজারের যানজট কমাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।