গত বুধবার (৮ জুলাই) কালুখালী থানায় মো: ফারুক মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।তিনি কালুখালী উপজেলার মোহনপুর এলাকার মো: চৌধুরী মিয়ার ছেলে।
এজাহারে উল্লেখ্য করা হয় বুধবার সকাল আনুমানিক ৯ টার দিকে সোনাপুর মোড়ে নিরব বাবুর (বাদীর ভাই) সাথে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সায় যাত্রী উঠানো নিয়ে আসামীদের কথা-কাটাকাটি হয়।এসময় আসামীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নিরব বাবুকে মারপিট করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয় মামলার ১ নং আসামী (দেলোয়ার সরদার) চিহ্ন অস্ত্রধারী ক্যাডার চাঁদাবাজ।
এজাহার ভুক্ত আসামীরা হলেন, পাংশা বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদার (৪৩), পাংশা সরদার বাস স্ট্যান্ড এলাকার কায়েম বিশ্বাসের ছেলে সোহেল বিশ্বাস (৩০), পাংশা পৌর সভার গুদিবাড়ি এলাকার মাজেদ মিয়ার ছেলে জার্মান (৩০), একই এলাকার মৃত আলীর ছেলে জিয়া (৩৫), পাংশা পৌরসভার বিষ্ণুপুর এলাকার শাজাহানের ছেলে হেলাল (৩২), একই এলাকার সালামের ছেলে আরিফ (৩১), আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রাজু বিশ্বাস (৩০), আইনদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে ওহিদ বিশ্বাস (৩০), মৃত বিশের ছেলে শফি (৪০), মৃত ছেক শেখ এর ছেলে নাসির শেখ (৩২)।
পাংশা বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদার বলেন, ঘটনার সময় আমি পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিলাম। অথচ আমাকে কালুখালীর সোনাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার মারামারির ঘটনায় আমাকে ১ নং আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় আমাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্দনে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আসামী করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মামলা এজাহারে আমাকে চিহ্নিত অস্ত্রধারী ক্যাডার ও চাঁদাবাজ উল্লেখ করা হয়েছে।আমি পারিবারিক ভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে ছোট থেকেই জড়িত। আমার বাবা (আব্দুল আজিজ সরদার) পাংশা পৌর বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি আজীবন বিএনপির রাজনীতি করে গেছেন। তিনি পাংশা পৌরসভার প্রথম মেয়র ছিলেন। তার হাত ধরে আমার রাজনীতিতে আসা।আমি পাংশা বণিক সমিতির নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। আমি আমার বাবার মত সকল ধর্মের মানুষের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে রাজনীতি করি। পাংসার একটা মানুষ বলতে পারবে না আমি সন্ত্রাসী অথবা চাঁদাবাজি করেছি। আমি চাই প্রশাসন সঠিক ভাবে তদন্ত করবে এবং এই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিবে।