শনিবার (২৩ মে) রাতে সংগঠনের জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা সাইফ উদ্দিন কাসেমীর সভাপতিত্বে শহরের ডি রয়েল স্যালমন রেস্টুরেন্টে বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, খতিব, আলেম, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনরা অংশ নেয়।
দলটির জেলা সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্লাহ মানিক, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী ও এয়াকুব নবী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম, হেফাজতে ইসলামের জেলা শাখার সহ-সভাপতি মুমিনুল হক জাবেরী, মাওলানা ইসমাইল হায়দার, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি একরামুল হক ভূঁইয়া, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, এনসিপির জেলা শাখার সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, এবি কেন্দ্রীয় পার্টির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম বাদল, খেলাফত মজলিসের জেলা আমীর মাওলানা
মোজাফফর আহমদ জাফরী, দৈনিক ফেনী’র সম্পাদক আরিফুল আমিন রিজভী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলী মিল্লাত, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আমীর হোসেন, হেফাজতে ইসলাম ফেনী জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জালাল উদ্দীন ফারুকী, ফুলগাজী উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি কাসেম নোমানী, সোনাগাজী উপজেলা সেক্রেটারি মুফতি নিজাম উদ্দিন, ফেনী সদর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আইয়ুব, দাওয়াতী তাবলীগের প্রতিনিধি হাজী বেলাল হোসেন, ধুমসাদ্দা রশীদিয়া মাদরাসার মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, ছাগলনাইয়া উপজেলা মসজিদের খতিব আতাউল্লাহ সিফাত, আল হুদা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা আলা উদ্দিন নবী, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুহাইমিন তাজিম।
সংকট থেকে উত্তরণ বৈঠকে বক্তারা দাবি করেন- সাভারে চামড়াশিল্প নগরীর অবশিষ্ঠ কাজ দ্রুত শেষ করে সচল ও পরিবেশ বান্ধব আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিল্প নগরী পরিচালনা করা। পরিবেশ দূষণ না করে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ বিশ্ব মানের করে L.W.G এর সনদ অর্জনে সরকারের সার্বিক সহযোগিতা করা। আন্তর্জাতিক ক্রেতাগোষ্ঠির সাথে দ্রুত যোগাযোগ ও তাদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করে চামড়া রপ্তানীর বাজার সম্প্রসারণ ও রপ্তানীর বাজার বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি সাভারে চামড়াশিল্প নগরীর এরিয়া আরো সম্প্রসারণ করে, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানার মালিকদের কে প্লট বরাদ্দ দিয়ে বিনা সুদে ঋণ দিয়ে আবার ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া। অবৈধ পথে চোরাকারবারির মাধ্যমে চামড়া পাচার রোধে কঠিন পদক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা।