বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এনসিপির সাবেক এই নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, মঙ্গলবার শতাধিক নেতাকর্মীসহ ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সালাউদ্দিন বাবুর হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
আসাদুল ইসলাম মুকুল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২০ ধামরাই আসনে এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। ঢাকা উত্তর অঞ্চলে এনসিপি গড়ে তুলতেও ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। তবে পরবর্তীতে এনসিপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তুলনামূলক অপরিচিত দুই নারীকে। পরবর্তীতে দলেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান তারা।
এতে ক্রমেই দলে অবমূল্যায়িত হচ্ছিলেন এনসিপির এ অঞ্চলের অন্যতম সংগঠক আসাদুল ইসলাম মুকুল। অবশেষে তিনি বিএনপিতে যোগ দিলেন।
আসাদুল ইসলাম মুকুল বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, এনসিপির থেকে বিএনপিতে আমার কাজ করার সুযোগ বেশি। সেই জন্যই মূলত আমি বিএনপিতে যাচ্ছি। আমার সঙ্গে শতাধিক জন বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন। এখানে যিনি নির্বাচিত এমপি আছেন, গণমানুষের নেতা সালাউদ্দিন বাবু ভাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করা এবং গণমানুষের কাছে বিএনপির রাজনীতিটা যাতে পৌঁছে দিতে পারি, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাব।
আসাদুল ইসলাম মুকুলকে বিএনপিতে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সালাউদ্দিন বাবু বলেন, আজকে যারা এখানে যোগদান করেছেন, এনসিপির সাবেক নেতা কয়েকজন এবং জুলাই যোদ্ধা, তারা জানে যে এখানে অনেক কাজ করার সুযোগ আছে। যারা কাজ করে, তাদেরকে নিয়ে আমরা দলে সম্পৃক্ত করি এবং আমরা ইতিমধ্যে বেশ কিছু মূলকাজ শুরু করেছি। যেহেতু সাবা এটা বিশাল এলাকা এবং ইয়াং জেনারেশনকে আমাদের সম্পৃক্ত হতে হলে আগামীতে তাদের কাছ থেকে ভোট দিতে হলে ইয়াংদের নিয়েই কাজ করতে হবে। তারা তাদের কাছে গিয়ে বলবে, তোমাদের সমস্যাকে আমরা সেখানে সমাধান করে দেব। অতএব, এই সেতুবন্ধনের জন্য তাদের আমাদের প্রয়োজন। তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিএনপি একটি বড় দল। সবাইকে মূল্যায়ন করতে জানে, শিখেছে এবং করেছে। আমিও চাই, তাদের নিয়ে বিএনপি আরও শক্তিশালী হোক। আমরা আগামীতে আরও ভালো ভালো কাজ করব। আর যুবসমাজ, যারা অনেক কিছু হয়তো আমাদেরকে এখনো বুঝতে পারে না, তাদেরকে পাশে এনে আমরা একটা শক্তিশালী ঢাকা-১৯ এ বিএনপি করতে চাই। সেটিই আমাদের লক্ষ্য। এদেরকে নিয়ে আমরা সেই পথে হাঁটব।
এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক ফয়সাল খান বলেন, আসাদুল ইসলাম মুকুলের এনসিপি ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।