বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর লবণচরার আশিবিঘা কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় এ দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, নিজেদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের জেরে শত্রুতা এবং ফুটবল খেলাকে নিয়ে দ্বন্দের জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পাওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে থানা পুলিশ এ কথা জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় খোকন সানার ছেলে ভিকটিম মনজু সানা বিকেলে ফুটবল খেলে এসে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে অন্য সঙ্গীদের নিয়ে ওই এলাকার একটি কালভার্টের উপর অবস্থান করছিলেন। তখন ১০/১২ জনের একদল কিশোর বয়সী সন্ত্রাসী তাদের ধাওয়া করে। মনজুরের অন্য সাথীরা পলিয়ে গেলেও ঘাতকের আগ্নেয়াস্ত্রের তপ্ত বুলেট তাঁর পেটে বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত মঞ্জু আশিবিঘা এলাকার খোকন সানার ছেলে। তিনি পেশায় নির্মাণ শ্রমিক (রাজমিস্ত্রি) ।
লবনচরা থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ আশরাফুল আলম রাত সোয়া ৯ টার দিকে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি বলেন, মরদেহের পেটে একটি মাত্র গুলির ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পিস্তলের এক রাউণ্ড গুলির খোসা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।
এর কিছুক্ষণ পর একই এলাকায় নাজমুলকেও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নাজমুলের বাবার নাম মনির শেখ।
অল্প সময়ের ব্যবধানে একই এলাকায় পরপর দুই যুবক হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশাররফ হোসেন জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।