বিশ্লেষণে বলা হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট এবং গভীর সমুদ্র থেকে মহেশখালী হয়ে পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্প চালু থাকলে বর্তমান জ্বালানি সংকট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতো।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তন এবং অভিজ্ঞতার ঘাটতি প্রকল্প বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (FSRU) প্রকল্প বাতিল হওয়ায় ভবিষ্যতে গ্যাস আমদানির সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
রূপপুর প্রকল্প নিয়েও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। স্বাভাবিক গতিতে কাজ চললে ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ যুক্ত হতে পারত।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম উপকূলভিত্তিক এসপিএম প্রকল্প চালু না হওয়ায় জ্বালানি পরিবহন প্রক্রিয়ায় সময় ও ব্যয়ের চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প চালু থাকলে জ্বালানি খালাস ও সংরক্ষণ আরও কার্যকর হতো।
এছাড়া, গ্যাস অনুসন্ধান, নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত না নেওয়াও একটি বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর কিছু এখনো জ্বালানি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
লেখক: জ্বালানি গবেষক