চোট কাটিয়ে ফেরার পর টানা দুই ম্যাচে গোল করেছেন বুকায়ো সাকা। প্রথমার্ধের ঠিক আগ মুহূর্তে তার করা গোলটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ম্যাচের মেষ দিকে অ্যাতলেটিকোর আলেকজান্ডার সরলথ গোল করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করলে সমতায় ফেরা হয়নি স্প্যানিশ ক্লাবটির। পুরো টুর্নামেন্টে ঘরের মাঠে ৭ ম্যাচে মাত্র ৩ গোল হজম করা আর্সেনালের রক্ষণভাগ এদিনও ছিল অজেয়।
২০০৬ সালে আর্সেন ওয়েঙ্গারের অধীনে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলেছিল আর্সেনাল। ঠিক ২০ বছর পর আর্তেতার হাত ধরে আবারও সেই সুযোগ এল। ম্যাচ শেষে আর্তেতা আবেগপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘অবিশ্বাস্য এক রাত। আমরা একসাথে আবার ইতিহাস তৈরি করেছি। আমি সবার জন্য অত্যন্ত গর্বিত। স্টেডিয়ামের পরিবেশ এবং সমর্থকদের সমর্থন ছিল অনন্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্টেডিয়ামের বাইরে আমাদের যেভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে, তা ছিল বিশেষ এবং অনন্য। এখানকার পরিবেশ এবং আমাদের সমর্থকদের তৈরি করা এনার্জি আমি আগে কখনও এই স্টেডিয়ামে অনুভব করিনি। আমরা জানতাম এই জয়টি সবার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ছেলেরা অবিশ্বাস্য কাজ করেছে এবং ২০ বছর পর আমাদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো আমরা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ফিরেছি।’
ম্যানচেস্টার সিটি গত সোমবার এভারটনের সাথে ড্র করায় প্রিমিয়ার লিগ জয়ের দৌড়েও এখন সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আর্সেনাল। ২০০৪ সালের পর প্রথম লিগ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে গানার্সরা।
আজ বায়ার্ন মিউনিখ বনাম পিএসজি ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে চলতি মাসের শেষে বুদাপেস্টে ফাইনালে লড়বে আর্সেনাল।